আইসিইউ সংকট, করোনা রোগীরা ঘুরছেন হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে

Posted on by

মোঃ অহিদুজ্জামান : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম দেশে করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে গত রোববার উদ্বেগজনক বার্তা দেন। তিনি জানান, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে এবং অধিকাংশ তরুণ। আক্রান্ত অনেককেই আইসিইউতে ভর্তির প্রয়োজন হচ্ছে। গত দুই মাসে তার কাছে কখনোই আইসিইউ শয্যার জন্য কোনো অনুরোধ আসেনি। কিন্তু কয়েক দিন ধরে আইসিইউ শয্যার জন্য অনুরোধ জানিয়ে তিনি ফোন পাচ্ছেন। অথচ হাসপাতালে আইসিইউর শয্যা পাওয়া যাচ্ছে না। আগে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ প্রভৃতি ‘কোমর বিডিটি’ থাকা ব্যক্তিরা করোনায় আক্রান্ত হলে তাদের আইসিইউ লাগত। এখন তরুণদেরও আইসিইউ লাগছে।

মহাপরিচালকের এই বক্তব্যের সূত্র ধরে রাজধানীর করোনা চিকিৎসার নির্ধারিত (ডেডিকেটেড) সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য মিলেছে। রোববার রাতে রাজধানীর আদাবর এলাকার করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক রোগী বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি হন। হঠাৎ করে রোগীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। চিকিৎসক রোগীকে আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন। কিন্তু ওই হাসপাতালে আইসিইউর কোনো শয্যা ফাঁকা ছিল না। এরপর একে একে রাজধানীর এভারকেয়ার, স্কয়ার হাসপাতাল, ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতালে খোঁজ করেও আইসিইউ শয্যা মেলেনি। বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা ফাঁকা না পেয়ে সরকারি কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে খোঁজ করেও আইসিইউ মেলেনি। পরে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে রোগীকে রাখা হয়।

রাজধানীর করোনা ডেডিকেটেড সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর সরকারি হাসপাতালের ৬৯ দশমিক ২৩ শতাংশ আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি আছে। আর বেসরকারি হাসপাতালের ৬২ দশমিক ৮০ শতাংশ শয্যায় রোগী ভর্তি আছে। সব মিলিয়ে রাজধানীর ৬৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি। তবে ঢাকার বাইরে চিত্র ভালো। ঢাকার বাইরে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে আইসিইউতে রোগী ভর্তির চাপ এখনও বাড়েনি। ঢাকার বাইরে মাত্র ২৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি রয়েছে। অন্য শয্যাগুলো এখনও ফাঁকা রয়েছে।

আক্রান্ত ও শনাক্তের হার বাড়ছেই :গত ২৪ ঘণ্টায় (১৪-১৫ মার্চ) নতুুন করে আরও এক হাজার ৭৭৩ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে এক দিনে এটিই সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা। গত ১৫ ডিসেম্বর এক দিনে এর চেয়ে বেশি এক হাজার ৮৭৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। এ নিয়ে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৫৯ হাজার ১৬৮ জনে পৌঁছাল। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি এর চেয়ে বেশি ৩১ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল স্বাস্থ্য বিভাগ। করোনায় এ পর্যন্ত মোট আট হাজার ৫৭১ জনের মৃত্যু হলো। এর বিপরীতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক হাজার ৪৩২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে করোনার সংক্রমণ থেকে মোট পাঁচ লাখ ১৩ হাজার ১২৭ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

গত বছরের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ একজন মারা যান। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকে। ওই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর ধীরে ধীরে তা কমতে থাকে। দুই মাস সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর নভেম্বরের শুরুর দিকে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকে। ডিসেম্বর থেকে আবার কমতে থাকে। আক্রান্তের হার ৫ শতাংশে চলে আসে। কিন্তু গত ৯ মার্চ বেড়ে ৫ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছায়। ১০ মার্চ শনাক্তের হার আরও বেড়ে ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশে দাঁড়ায়। ১১ মার্চ তা কিছুটা কমে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশে নেমে আসে। ১২ মার্চ তা আবারও বেড়ে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশে পৌঁছায়। গত শনিবার শনাক্তের হার কিছুটা কমে ৬ দশমিক ২৬ শতাংশে ছিল। রোববার শনাক্তের হার ৭ দশমিক ১৫ শতাংশে পৌঁছায়। আর গতকাল সোমবার তা ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে পৌঁছাল।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে দ্বিতীয় দফায় প্রথম দফার তুুলনায় সংক্রমণ মারাত্মক ছিল। বাংলাদেশেও নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। তবে এটি দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ কিনা তা জানতে আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে। সংক্রমিতদের শারীরিক অবস্থা মারাত্মক আকার ধারণ করছে। এ অবস্থায় সবার সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। বিশেষ করে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক এবং সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে পালন করা প্রয়োজন। অন্যথায় সামনে বড় বিপদ আসতে পারে।

যুক্তরাজ্যের নতুন স্ট্রেইনে সংক্রমিত হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, জিনোম সিকোয়েন্সিং করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলাফল হাতে পেলে এ বিষয়ে বলা যাবে। তবে জানুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্য ফেরত ৬ জনের শরীরে নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ার পর তাদের কোয়ারেন্টাইন করা হয়। তাদের সবাই সুস্থ আছেন। একই সঙ্গে ওই ৬ জনের কন্টাক্ট ট্রেসিংও করা হয়েছে। সে হিসাবে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কম। এরপরও জিনোম সিকোয়েন্সিং করার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

আইসিইউ শয্যা পরিস্থিতি :মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউর কোনো শয্যা খালি নেই। কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে ১৬ শয্যার মধ্যে ১০টি, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে ১৬ শয্যার মধ্যে ১৩টি, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে ছয় শয্যার মধ্যে দুটি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ন ইউনিটে ২৪ শয্যার মধ্যে ১৭টি, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ১৫ শয্যার মধ্যে ১২টি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ শয্যার মধ্যে ১৩টিতে রোগী ভর্তি রয়েছে। অর্থাৎ রাজধানীর করোনা ডেডিকেটেড ১০টি হাসপাতালে ১১৭ শয্যার মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ৮১ জন। আর খালি আছে মাত্র ৩৬ শয্যা। অর্থাৎ ৬৯ দশমিক ২৩ শতাংশ আইসিইউ শয্যা রোগী ভর্তি। এদিকে, ইবনে সিনা হাসপাতাল ও এভারকেয়ার হাসপাতালে আইসিইউর কোনো শয্যা খালি নেই। রাজধানীর বেসরকারি আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৩০ শয্যার মধ্যে ১৬টি, আসগর আলী হাসপাতালে ৩২ শয্যার মধ্যে ২৪টি, স্কয়ার হাসপাতালে ৯ শয্যার মধ্যে ৬টি, ইউনাইটেড হাসপাতালে ২২ শয্যার মধ্যে ১৪টি, ইমপালস হাসপাতালে ২৫ শয্যার মধ্যে ১২টি, এএমজেড হাসপাতালে ২১ শয্যার মধ্যে ৮টি এবং বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ৯ শয্যার মধ্যে ৭টিতে রোগী ভর্তি রয়েছে। খালি আছে মাত্র ৬১টি শয্যা। রাজধানীর বেসরকারি ৯ হাসপাতালে ১৬৪ শয্যার মধ্যে ১০৩টিতে রোগী ভর্তি আছে। আর খালি আছে মাত্র ৬১ শয্যা। অর্থাৎ ৬২ দশমিক ৮০ শতাংশ শয্যায় রোগী ভর্তি রয়েছে।

রাজধানীর সরকারি-বেসরকারি করোনা ডেডিকেটেড মোট ১৯টি হাসপাতালে ২৮১ শয্যার মধ্যে ১৮৪টি আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি রয়েছে। আর ৯৭টি শয্যা খালি রয়েছে। অর্থাৎ রাজধানীর ৬৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি রয়েছে। আর সারাদেশে ২০৪ শয্যার মধ্যে ৫৪ জন রোগী ভর্তি আছে। আর খালি আছে ১৮৬টি আইসিইউ শয্যা। অর্থাৎ ঢাকার বাইরে ২৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি রয়েছে। সব মিলিয়ে সারাদেশে ৫৬৬ আইসিইউ শয্যার মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ২৫৮টিতে। অর্থাৎ সারাদেশে ৪৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি আছে।
ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রীতি চক্রবর্তী সমকালকে বলেন, এক সপ্তাহ ধরে আইসিইউ শয্যার চাহিদা বাড়ছে। আইসিইউ শয্যার জন্য বিভিন্ন পর্যায় থেকে তার কাছে অনুরোধ আসে। অনেক ঘনিষ্ঠজন ফোন করে একটি আইসিইউ শয্যার জন্য সহায়তা চান। কিন্তু শয্যা ফাঁকা না থাকায় তারা রোগী ভর্তি করতে পারছেন না বলে জানান তিনি।

বিশেষজ্ঞ মত :নতুন করে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় হাসপাতালগুলোতে জোরালো প্রস্তুতির তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে স্বাস্থ্য বিভাগের যে বিপর্যস্ত চিত্র প্রকাশ্যে এসেছিল, আশা করি এবার তা হবে না। ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে মনে করতে হবে কর্তৃপক্ষ আগের ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়নি। তাহলে সেটি পরিস্থিতির জন্য ভয়াবহ হবে। প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি থাকলে তা দ্রুততম সময়ে পূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার জন্য আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুতির প্রয়োজন হতে পারে। সেজন্য জোরালো প্রস্তুতি নিতে হবে।

একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ সমকালকে বলেন, নতুন করে সংক্রমণ যে হারে বাড়ছে, তা উদ্বেগজনক। গত ১৮ জানুয়ারির পর থেকে শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে ছিল। এই হার দুই শতাংশের কাছাকাছিও পৌঁছেছিল। মার্চের শুরু থেকে আবারও তা বাড়তে থাকে। গত ৯ মার্চ শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে যায়। এরপর প্রতিদিনই এই হার বাড়ছে। সুতরাং সবাইকে সতর্ক হতে হবে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সমকালকে বলেন, সারাদেশের সব সিভিল সার্জনদের জেলা পর্যায়ের কভিড ডেডিকেটেড শয্যাগুলো প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিভাগীয় পরিচালক ও রাজধানীর সব হাসপাতালের পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলার জন্য হাসপাতালগুলো সর্বাত্মক প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসা ও সুরক্ষা সামগ্রীর কোনো ঘাটতি নেই উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণের শুরুর দিকে পিপিই, মাস্কসহ সুরক্ষা সামগ্রী ও নমুনা পরীক্ষার কিট এবং আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতির ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এসব সামগ্রীর কোনো ঘাটতি নেই। সারাদেশে প্রায় সব করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন করা হয়েছে। হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, আইসিইউসহ চিকিৎসাসামগ্রী পর্যাপ্ত রয়েছে। সুতরাং করোনার মোকাবিলার প্রস্তুতি সরকারের কোনো ঘাটতি নেই। জনসাধারণকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছি; কিন্তু মানুষ তাতে সাড়া দিচ্ছে না। অধিকাংশ মানুষ মাস্ক ব্যবহার করছে না। এটি আতঙ্কের। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করতে আবারও আগের মতো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
 

More News from বাংলাদেশ

More News

Developed by: TechLoge

x