মহামারীকালে বাংলাদেশের রফতানি পর্যালোচনা এবং কিছু সুপারিশ

Posted on by

আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন
কভিড-১৯ জন্য সৃষ্ট মহামারীতে (পেনডেমিক-২০২০) বিশ্বের ২১২টি দেশ আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রতিটি দেশের অর্থনীতি এতে চরমভাবে বিপর্যস্ত যা ১৯৩০ এর অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থির সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে । উক্ত অর্থনৈতিক মন্দার (Economic Depression) জন্য বিশ্বব্যাপী ৫০% আন্তর্জাতিক বাণিজ্য হ্রাস পায় এবং ৩৩% এর মতো বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছিল । তদরুপ একটি পরিস্থিতি Covid-19 এর জন্য সৃষ্ট মহামারীর কারণে উদ্ভব হতে যাচ্ছে মর্মে বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবীদ এরই মধ্যে তাদের আশংকা প্রকাশ করেছেন এবং বিশ্ব অর্থনীতি সে দিকেই ধাবিত হচ্ছে । বর্তমান বিশ্বয়ানের যুগে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বাংলাদেশও এ ধরনের দুর্যোগ ও অর্থনৈতিক মন্দার বিরুপ প্রভাব থেকে মুক্ত নয় ।

বাংলাদেশের আমদানি ও রফতানি বাণিজ্যে পেনডেমিক-২০২০ এর প্রভাব প্রবলভাবে পড়তে শুরু করেছে । আমাদের রফতানি বাণিজ্যের জুলাই-এপ্রিল ,২০১৯-২০ এর পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায় , উক্ত সময়ে আমাদের রফতানি আয় অর্জিত হয়েছে মার্কিন ডলার ২৯,৪৯৩.৮৪ যা লক্ষ্যমাত্রা (জুলাই-এপ্রিল,২০১৯-২০ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা মার্কিন ডলার ৩৭,৪৪৮.০০ ) যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে ২১.২৪% এবং ১৩.০৯ % কম । এপ্রিল ,২০২০ মাসের রফতানি বিগত বছরের এপ্রিল,২০১৯ এর তুলনায় ৮২.৮৫ % হ্রাস পেয়েছে ।

আমাদের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এককভাবে তৈরি পোশাক / এপার‌্যালস (ওভেন এবং নীট খাত) এর উপর নির্ভরশীল এবং এ খাত থেকে আসে রফতানি আয়ের ৮৪% । এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল , ‍হিমায়িত এবং লাইভ ‍ফিস এবং হালকা প্রকৌশনী পণ্য খাত আমাদের রফতানি আয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে ।মোট রফতানি আয়ের সিংহভাগ অবদান অর্থ্যাৎ প্রায় ৯৪% এর অধিক অর্জিত হয় এ ০৭ টি খাত থেকে । জুলাই –এপ্রিল,২০১৯-২০২০ সময়ে আমাদের প্রধান প্রধান রফতানি খাত ভিক্তিক পর্যালোচনা ‍নিম্নে উল্লেখ করা হল :


-২-

বাংলাদেশের রফতানি গন্তব্য/বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, রফতানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য হচ্ছে ইউরোপীয়ান এবং আমেরিকান অঞ্চল । মোট রফতানি পণ্যের ৫৬.৩৮% ইউরোপীয়ান অঞ্চলে এবং ২২.০১ % আমেরিকান অঞ্চলে রফতানি হয়ে থাকে । নিম্নে রফতানি বাজারের তুলনামূলক অবস্থান তুলে ধরা হ’ল :


পেনডেমিক-২০২০ এর প্রভাবে বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের প্রধান প্রধান আমদানিকারক দেশ যথা : যুক্তরাষ্ট্র , ইউরোপীয়ান দেশ সমূহ , কানাডা , জাপান , অস্ট্রেলিয়া সহ আফ্রিকা ও মধ্য প্রাচ্যের অন্যান্য দেশ সমূহ অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রফতানি আয় অর্জন করতে পারেনি । বিশ্বের অধিকাংশ দেশই এ ধরনের অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে । WTO ( World Trade Organization) এর তথ্য মতে পেনডেমিক-২০২০ এর বিরুপ প্রভাবে বিশ্বের পণ্য রফতানি ১৩ শতাংশ হতে ৩২ শতাংশ হ্রাস পাবে ।

পেনডেমিক-২০২০ এর প্রভাবে বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে সক্রিয় এবং পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে উন্নত এবং উন্নয়শীল দেশ বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ প্রদান এবং বাস্তবায়ন করছে । বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয় । বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিল্প ও সেবা খাত এবং কটেজ, মাইক্রো , ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ( ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল/ বেতন ভাতাদি/ রফতানিকারকদের ‍বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদান) জন্য নিম্নরুপ প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন এবং তা এরই মধ্যে বাস্তবায়ন ও শুরু হয়েছে :

-৩-

পেনিডেমিক -২০২০ সময়ে বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রফতানি পণ্যের নেতৃস্থানীয় আমদানিকারক দেশসমূহ (আমেরিকা , জার্মানী , যুক্তরাজ্য, ইটালি, স্পেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া , জাপান , কানাডা প্রভৃতি দেশ) অর্থনৈতিকভাবে কঠিন সময় অতিক্রম করছে । উন্নত রাস্ট্রসমূহ অর্থনৈতিক অপ্রত্যাশিত এ থাক্কা( Meltdown) কাটিয়ে উঠার উদ্দেশ্যে তাদের অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে পুনরায় চালু ( Reopen) করেছে । ফলে বিভিন্ন রফতানি পণ্যের ক্রেতাগণ: বিদেশী ব্র্যান্ড , রিটেইলার এবং অন্যান্য নন-ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানসমূহ স্বল্প পরিসরে তাদের এরই মধ্যে স্থগিতকৃত রফতানি আদেশসমূহ পুনর্বহাল করছে । কিন্তু এ পরিস্থিতি কোনভাবেই স্বাভাবিক অবস্থার সঙ্গে তুলনীয় নয় । বিজিএমইএ এর তথ্যানুযায়ী বিদেশী ব্র্যান্ড / রিটেইলার পেনডেমিক সময়ে ৩.১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানি আদেশ বাতিল এবং স্থগিত করেছে । এ ছাড়া লেদার, লেদার গুডস ও লেদার ফুটওয়্যার এবং কৃষি ও কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য খাতের রফতানি আদেশ বাতিল এবং স্থগিত হয়েছে যথাক্রেমে মার্কিন ডলার ২০০ মিলিয়ন এবং ১৫০ মিলিয়ন । যদিও অদ্যাবধি পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানির ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি রয়েছে ।

২০১৯-২০ আর্থিক বছরের জন্য পণ্য খাতে বাংলাদেশের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ৪৫,৫০০ .০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । পেনডেমিক-২০২০ এর প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে ধরনের সংকট তৈরি হযেছে তা পযালোচনায় পণ্য খাতে বাংলাদেশের রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০-১৫ % কম হবে মর্মে আশা করা যাচ্ছে । এ ছাড়া পণ্য খাতের রফতানি আয়ে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে ।

সরকার কর্তৃক গৃহীত আর্থিক প্রণোদনার পাশাপাশি পেনডেমিক-২০২০ সময়ে অপ্রত্যাশিত এ ধরনের পরিস্থিতে রফতানি বাণিজ্যে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে নিম্নরুপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে :

ক) বাজার সম্প্রসারণমূলক কার্যক্রমের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রস্তাব :

স্বল্প মেয়াদী উদ্যোগ/পরিকল্পনা ( পেনডেমিক সময়ে) :

১. বাজার বহুমুখীকরণের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত পণ্যভিক্তিক বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ একটি কার্যকরী বিপণন কৌশল ( Marketing Strategy ) । পেনডেমিক-২০২০ এর জন্য আগামী নভেম্বর ,২০২০ এর পূর্বে Physically “ International Trade Fair” এ অংশগ্রহন করা আপতঃ দৃষ্টিতে সম্ভব হবে না মর্মে প্রতীয়মান । এ পরিস্থিতিতে বিশ্বের খ্যাতনামা ট্রেড শো আয়োজক প্রতিষ্ঠান সমূহ Virtul Trade Fair আয়োজন শুরু করেছে । বিদেশী ক্রেতা অন্বেষণের এ নতুন সুযোগ কে কাজে লাগানোর জন্য আমাদের করোনা পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল বাণি্জ্য মেলা/ ট্রেড শো- তে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন । কেননা তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিপক্ষ চীন এবং ভিয়েতনাম করোনার প্রভাব কাটিয়ে উঠায় তারা এ ধরনের মেলায় অংশগ্রহনের প্রস্ততি গ্রহণ করছে । সে বিবেচনায় বিভিন্ন স্বনামধন্য মেলা আয়োজক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমেরিকা, কানাডা , জার্মান , ফ্রান্স এবং জাপানে অনুষ্ঠেয় Virtual Trade Fair এ অংশগ্রহনের উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে । নতুন কৌশলের সঙ্গে বাংলাদেশের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান সমূহ অভ্যস্ত না হওয়ায় তাদের কে এ ধরনের মেলায় আর্থিক সুবিধাদি প্রদানপূর্বক অংশগ্রহনের জন্য উৎসাহিত করা যেতে পারে।

২. পেনডেমিক এর প্রভাবে বিভিন্ন সেক্টরের অধীন অনেক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের ( RMG- USD 3.18 billion, Leather and Leather Goods –USD 216 million+, Agro and Agro Processed- USD 150+ Million) রফতানি আদেশ বাতিল/ স্থগিত হয়েছে । ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠান সমূহ বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে । এহেন পরিস্থিতিতে রফতানি বাজার উন্নয়ন এবং বিদেশী ক্রেতা আকর্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট সেক্টরের সমন্বয়ে এবং স্বনামধন্য স্থানীয়/বিদেশী ট্রেড প্রমোটর প্রতিষ্ঠান এর সহযোগে স্থানীয়ভাবে Virtual Business Match Making Event এর আয়োজন এর উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে ।

মধ্য মেয়াদি পরিকল্পনা ( পেনডেমিক উত্তর) :

(১) নতুন বাজার অন্বেষণ এবং বিদ্যমান বাজার সুসংহত করণের জন্য বিদেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন বিশেষায়িত সোর্সিং মেলায় অংশগ্রহণ এবং দেশের রফতানি বাজার সম্প্রসারণের জন্য সম্ভাবনাময় দেশে একক দেশীয় বাণিজ্য মেলা এবং ট্রেড কনফারেন্স আয়োজন করা হয় । উক্ত মেলা সমূহে অংশগ্রহনের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানসমূহকে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর Booth Fee নির্ধারণী নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত অংশগ্রহণ ফি ( বুথ রেন্ট/ খালি জায়গা এবং প্যাভিলিয়ন এর নির্মাণ ফি ) ব্যুরোকে প্রদান করতে হয় । পেনডেমিক সময়ের আর্থিক ক্ষতি লাঘব এবং নতুন ক্রেতা অন্বেষণে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে আগামী দুই বছরের জন্য প্রতিষ্ঠিত রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানসমূহকে সংশ্লিস্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আর্খিক সহায়তা/ ভর্তুকি প্রদানপূর্বক অংশগ্রহনের সুযোগ প্রদান করা যেতে পারে ।

(২) রফতানি বাজার সম্প্রসারণমূলক কর্মকান্ডের অংশ হিসেবে বিদেশী ক্রেতাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে বিভিন্ন সেক্টরের সমন্বয়ে নবনির্মিত Bangladesh China Friendship Exhibition Center ( BCFEC) এ স্থানীয়ভাবে আগামী কয়েক বছর বিশেষায়িত সোর্সিং মেলা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে ।

খ) নীতিগত সহায়তার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সুপারিশ :
স্বল্প মেয়াদি উদ্যোগ/পরিকল্পনা ( পেনডেমিক সময়ে) :
১. পেনডেমিক এর কারণে বিভিন্ন সেক্টরের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিদেশী ক্রেতাগণ তাদের রফতানি আদেশ রহিত /বাতিল / ডিসকাউন্ট এর প্রস্তাব করেছে । সে সকল রফতানি আদেশসমূহ ( Purchase Order ) পুন:বহাল করার বিষয়ে International Chamber of Commerce , সংশ্লিষ্ট সেক্টর এসোসিয়েশন, বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এবং বাণিজ্য মন্ত্রলাণয়/ইপিবির প্রতিনিধি সমন্বয়ে বিদেশী ক্রেতা / ব্র্যান্ড/ রিটেইলার এর প্রতিনিধির সঙ্গে শীঘ্রেই Virtual Meeting এর উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে ।
২. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অন্তর্ভুক্ত রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের রফতানি নির্বিঘ্ন রাখার উদ্দেশ্যে এসএমই ক্রেডিট স্কিম ( ‍SME Credit Scheme) চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে ।
৩. নতুন উদ্যোক্তাদের ( Start Up ) রফতানি আদেশ বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানের জন্য ইপিবির মাধ্যমে পরিচালিত Export Promotion Fund ( EPF) পুনঃপ্রবর্তন ( Reintroduce ) করা যেতে পারে এবং এ খাতে ৫০০ ( পাঁচশত) কোটি টাকা এর তহবিল গঠন করা যেতে পারে ।
৪. নগদ অর্থ সমস্যার ( Liquidity Crisis) বিষয়টি বিবেচনায় এনে কটেজ, মাইক্রো , ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ইউটিলিটি সার্ভিসেস বিল যথা : বিদ্যুৎ এবং গ্যাস বিল আগামী এক বছরের জন্য রহিত করার প্রস্তাব করা যেতে পারে ।
৫. বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে নিয়োজিত কমার্শিয়াল কাউন্সিলর/ ইকোনমিক কাউন্সিলরদের সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশের রফতানি বাজার সম্প্রসারণের স্বার্থে টার্গেট ভিক্তিক ‍এসাইনমেন্ট প্রদান করা যেতে পারে ।
৬. রফতানিমুখী সকল প্রতিষ্ঠান ( বৃহৎ ( সেবা খাত সহ), ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ) যাতে সরকার কর্তৃক ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা যথাযথভাবে পায় তা তদারকিকরণ এবং উক্ত আর্থিক প্রণোদনার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না তা নিরীক্ষাকরণের জন্য অন্যান্য উন্নত দেশের ন্যায় Oversight Commission/ Committee গঠন করা যায় ।
সর্বোপরি বাংলাদেশকে করোনা মুক্ত ( কভিড-১৯) করার জন্য সার্বিক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে । অন্যাথায় রফতানির ক্ষেত্রে আমদানিকারক দেশ প্রতিটি কনসাইনমেন্ট এর জন্য অন্যান্য ডকুমেন্টস এর সঙ্গে “ করোনামুক্ত সদন ” প্রদানের জন্য শর্তারোপ করবে এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কনসাইনমেন্ট পুনঃপরীক্ষা করতঃ পণ্য ছাড় করাবে । এ ক্ষেত্রে রফতানিকারক গণ বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হবে এবং রফতানি ব্যহত হওয়ার সম্ভবনা সৃষ্টি হতে পারে ।

লেখক: আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন, উপপরিচালক, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)

Leave a Reply

More News from এক্সক্লুসিভ

More News

Developed by: TechLoge

x