করোনা ভাইরাসে লন্ডনে মারা যেতে পারে  ৪০ হাজার মানুষ!

Posted on by

ভেবে দেখুন তো কেমন লাগবে, গণক’বরে ছেয়ে গেছে লন্ডন। মোতায়েন করা হয়েছে সে’না এবং করোনা ভাইরাসের মতো মহামা’রীতে আক্রা’ন্ত হয়ে অন্তত ৪০ হাজারের মতো মানুষের মৃ’ত্যু হয়েছে!
যদিও এটি বাস্তব নয় আশ’ঙ্কার কথা। কিন্তু এমন তথ্যসমৃদ্ধ সরকারি নথি হাতে পাওয়ার দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের দ্য ডেইলি স্টার অনলাইন।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) প্রাপ্ত নথি বিশ্লেষণ করে সংবাদমাধ্যমটি দাবি করে, করোনা ভাইরাসের মতো মহামা’রীতে ভ’য়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে লন্ডনকে।এমন আশঙ্কা সামনে রেখে লন্ডন রেসিলিয়েন্স পার্টনারশিপ (এলআরপি) একটি আগাম পরিকল্পনা তৈরি করেছে। যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে লন্ডন রেসিলিয়েন্স টিম (এলআরটি)। তারা মূলত করোনা ভাইরাসের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে ভাবছে।

যুক্তরাজ্যের কেবিনেট অফিস স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলোকে অতিরিক্ত ম’রদে’হ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার পর এটি সামনে এলো।
ডেইলি স্টারের হাতে আসা ‘লন্ডন এক্সেসেস ডেথস ফ্রেমওয়ার্ক’ শিরোনামের ওই সরকারি নথিতে রয়েছে করোনা ভাইরাসের মতো সংকটে কী কী করা যায় সে বিষয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা। সেখানে রয়েছে ভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে নিহ’তদের ম’রদে’হগুলো নিয়ে কী করা হবে, এগুলোকে কীভাবে সংরক্ষণ বা সমাহিত করা হবে এসব।

করোনা ভাইরাসকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বের জন্য ‘সর্বোচ্চ ঝুঁকি’ ঘোষণা দেওয়ার পর ৪২ পৃষ্ঠার এ নথিটি সামনে এসেছে। সেখানে সম্ভাব্য পরিণতি এবং লন্ডন কর্তৃপক্ষের জন্য সমস্যা সমাধানে পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত ম’রদে’হ ব্যবস্থাপনার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলোকে যথেষ্ট স্থান বেছে রাখা, গুদাম অথবা হ্যা’ঙ্গারের ব্যবস্থা করার পরামর্শ।
নথিতে বলা হয়, যখন মৃত্যু বাড়তেই থাকবে তখন এসব ‘ম’রদে’হ সরাতে সে’না সহায়তার দরকার হবে। এসময় কবরস্থানগুলোতে ‘দিনে ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৭ দিন’ সমা’হিত করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

যখন ম’রদে’হ ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে যাবে তখন গণক’বরে ম’রদে’হগুলো ‘ভারী য’ন্ত্রের’ সহায়তায় সমাহিত করা ‘সহজতর’ পন্থা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে নথিতে। এছাড়া বর্তমানে কবরস্থানগুলোর পরিধি বাড়ানো অথবা বিদ্যমান কবরস্থানগুলো পুনরায় ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া রয়েছে ম’রদে’হ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বেশ কিছু পরামর্শ।

যুক্তরাজ্যে সম্ভাব্য জরুরি কোনো বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা তৈরির জন্য ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় লন্ডন রেসিলিয়েন্স পার্টনারশিপ (এলআরপি)।
যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত ২০ জন কভিড-১৯ রোগে আ’ক্রা’ন্ত রোগী পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সত’র্কতা হিসেবে ব্রিটেনে স্কুল ব’ন্ধ রাখা শুরু হয়েছে এবং শেভরন ও ওএমডি মিডিয়া তার কর্মীদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

কভিড-১৯ রোগে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ২ হাজার ৯২৩ জনের মৃ’ত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আর এ রোগে আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন ৮৫ হাজার ১৭৩ জন। কভিড-১৯ এ আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৩২ জন।
এদিকে এলআরপির এ নথি সম্পর্কে লন্ডনের মেয়র অফিস থেকে কোনো মন্তব্য করার বিষয়টি প্র’ত্যাখ্যান করা হয়েছে।এর আগে ২০০৯ সালে যখন সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল তখনও এরকম পরিকল্পনা বিবেচনা করা হয়েছিল।


ডেইলি স্টার অনলাইনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে কেবিনেট অফিস জানায়, আমরা এ ধরনের ঘটনা ঘটুক তা প্র’ত্যাশা করছি না। জনসাধারণের নিরাপ’ত্তার বিষয়টিই আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়।

Beanibazar view24.com

More News from ইউরোপ

More News

Developed by: TechLoge

x