কুত্তাও তসলিমার দিকে তাকিয়ে পা তুলে মুততে চায়না!!

Posted on by

মিলি সুলতানার ফেইসবুক থেকে সংগৃহিত  :

বহুগামী তসলিমা নাসরিনের পচনধরা পশ্চাদ্দেশের জ্বালাপোড়া দেখলে মজাই লাগে।

কলকাতার সরু গলির মোড়ের ছাল-বাকলা নাই কুত্তাটাও তার দিকে তাকিয়ে পা তুলে মুততে চায়না!! তার কোন ফ্যামিলি বন্ডিং নাই। সে পাবলিকলি তার গর্ভধারিণী মায়ের চরিত্রে কালিমা লেপন করেছে। গুলতেকিনের এমন কোন কলঙ্কজনক ইতিহাস নেই। কিয়ের সাথে কি, পান্তাভাতে ঘি!! তসলিমার মত চরিত্রহীনার সাথে গুলতেকিনের কোন এঙ্গেল থেকেই মিলেনা। সামাজিক মাধ্যমে তসলিমার ইঁদুর বাহিনী গুলতেকিনের পায়ের জুতা সাফ করছে। তাঁর ছেলেমেয়েদের সম্পর্কে বাজে বাজে মন্তব্য করছে। কেউ কেউ জাস্টিফাই করতে চাচ্ছে এই বলে, হুমায়ুন আহমেদের নাকি দু’বেলা খাবার জুটতে কষ্ট হত। কোন এক রূপনগরের রাজকুমারী তার আংকেলের জন্য (যেহেতু তার মাকে লেখক ভাবী সম্বোধন করতেন) টিফিন বক্স ভরে খাবার পাঠাতো।

উনার রেখে যাওয়া স্ত্রী তো রেডিও ইন্টারভিউতে নিজের দাম হাঁকাতে গিয়ে তার মধুর বচন দিয়ে হুমায়ূন আহমেদকে বখাটে উত্ত্যক্তকারী পার্ভাটেড বানিয়ে ছেড়েছেন। লেখক নতুন কুঁড়ির মেধাবী বালিকাকে তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক বানাতে বাধ্য করিয়ে ছেড়েছেন। তাহলে বুঝে নিতে হচ্ছে হুমায়ূন সাহেব পথভ্রষ্ট হয়ে গিয়েছিলেন। শাওনের বাসার খাবার খেয়ে তিনি বেঁচেবর্তে ছিলেন!! শাওন নিজের গরিমা বাড়াতে গিয়ে শ্রদ্ধেয় লেখককে নিচে নামিয়ে ছেড়েছেন। কত সুন্দর বাচনভঙ্গির সীমাহীন মিথ্যাচারে হুমায়ূনের পাঠকদের মনে খটকা লেগে যায়। শাওন নিজেকে জায়েজ করতে গিয়ে হুমায়ূন আহমেদের গুণাগুণকে নাজায়েজ বানিয়ে ছেড়েছেন। যার সার সংক্ষেপ হল, কিশোরীকে প্রলোভনে ফেলে সম্পর্ক করেছেন হুমায়ূন। এখানে প্রয়াত লেখক ক্রিমিনাল এক্ট করেছেন। ডাইরেক্টলি/ ইন্ডাইরেক্টলি প্রেশারাইজ করে শাওনের সাথে সম্পর্ক পেতেছেন। শ্রদ্ধেয় লেখককে ঘর থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল চারিত্রিক ত্রুটির কারণে??? শাওনের কথার সাথে একমত হলে লেখক হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে আম জনতার মনে অশ্রদ্ধা তৈরী হবে। শাওন কি এসব ভেবে দেখছেন না???

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x