মন্ত্রী আসলেন প্রায় আড়াই ঘন্টা পর বললেন তাড়া আছে যেতে হবে

Posted on by

নিউজলাইফ লন্ডন ডেস্ক : সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চলতি মাসের ১০ তারিখ থেকে লন্ডনে শুরু হতে যাওয়া সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য সফরে রয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব আয়োজিত এক মত বিনিময় সভায় গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি মুখোমুখি হন লন্ডনে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের সাথে ।  যথা সময় অর্থাৎ সকাল  ১০.৩০ টাই প্রেস ক্লাব অফিসে সাংবাদিকরা উপস্থিত হলেও  মন্ত্রী আসেন ১২.৪৩ টায়।

 সূচনা বক্তব্যে বিলম্বে আসার কারণ হিসাবে  তিনি লন্ডন শহরের যান জটকে দায়ী করেন। তিনি  বলেন  “বাংলাদেশ আগে সাহায্য নিতো আজ বাংলাদেশ সাহায্য দেয়”।তিনি আরো বলেন “বিমান থেকে ঢাকা শহর দেখলে মনে হয় এটা উন্নত বিশ্বের  দেশ”। “আর হাতীর ঝিলে গেলে মনেই হবে না যে এটা বাংলাদেশের কোনো একটি অংশ ” ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন “কেবলমাত্র সাংবাদিকদের জন্য নয়। সমগ্র দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এ আইন করা হয়েছে”। বিবিসি’র সাথে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন “যুক্তরাজ্যের চেয়ে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বেশি”
এর আগে গত ২৬ জুন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার HE Robert Chatterton Dickson লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের আমন্ত্রণে স্থানীও সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন  যথাসময়ে।সাংবাদিকদের সব প্রশ্ন মন দিয়ে শোনেন ও একে একে যুক্তিসঙ্গত জবাব দেন। কোনো প্রশ্ন এড়িয়ে যাননি।পাল্টা প্রশ্নও  করেননি তিনি। প্রবাসে যারা সাংবাদিকতা করেন তাদের অধিকাংশই সৌখিন সাংবাদিক অথবা পার্টটাইম সাংবাদিক।এরা সাধারণত জীবিকার তাগিদে নয় ,বরং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এ পেশায় নিয়োজিত। কোনো অনুষ্ঠানে আসতে হলে সাংবাদিকদের চাকরী থেকে ছুটি নিয়ে ,ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষতি করে অথবা ফ্যামিলিকে বঞ্চিত করে আসতে হয়। প্রবাসের এই যান্ত্রিক জীবনের মূল্যবান সময় খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নষ্ট করা কোনো যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়।
পৃথিবীর সব বড় শহরে অফিসে যাওয়া ও অফিস থেকে ফেরার সময় কিছু যানজট দেখা যায়। প্রশ্ন উঠেছে ড. হাছান মাহমুদ বহু দেশ ঘুরেছে লন্ডনেও তিনি বহু দিন থেকেছে।সকাল ১০/১১ টাই যানজট হবার কথা নয়। যদি  সহনীয় যানজট হয়েই থাকে সে  তথ্য , মাননীয় তথ্যমন্ত্রীর কাছে কি এটাই প্রথম ? 
বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকরা প্রবাসের অনুষ্ঠান গুলোতে প্রায়সময় ২/৩ ঘন্টা দেরি করে আসেন।মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভাঙা রেকর্ড বাজিয়ে দামি দামি গিফট নিয়ে চলে যান। আর কেউ সাংবাদিকদের পাল্লায় পড়লে কিছু  প্রশ্নের মুখস্ত জবাব দেন,কিছু প্রশ্ন এড়িয়ে যান। পাল্টা প্রশ্ন করার সময় হলে বলেন আজ আর সময় নেই আর একদিন জবাব দেব ভাই। কিন্তু বাস্তবতা হলো  তথা কথিত ওই “আর একদিন” আর ফিরে আসে না।  

Leave a Reply

More News from কমিউনিটি

More News

Developed by: TechLoge

x