শিশু সংশোধন বিল পাস

Posted on by

নিউজ লাইফ ডেস্কঃ দায়রা জজ আদালত যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারে শিশু আদালতেরও সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদনের বিধান রেখে শিশু (সংশোধন) বিল,২০১৮ সংসদে পাস হয়েছে।

সোমবার স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে বিলটি পাস করা হয়।বিলে বলা হয়েছে,মামলা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যে আদালতে নিষ্পন্নাধীন সেই আদালত উদ্যোগ গ্রহণ করে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শিশু (সংশোধন) আইন,২০১৮ কার্যকর হওয়ার ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করবে।তবে উক্ত সময়ের মধ্যে মামলা স্থানান্ত সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে স্থানান্তরকারী শিশু আদালতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ আদালত আরো ৪৫ কার্যদিবস সময় বৃদ্ধি করতে পারবে।

আইনের উদ্দেশ্য ও কারণসম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে,জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিশু আইন,১৯৭৪ যুগোপযোগী করে শিশু আইন,২০১৩ প্রণয়ন করা হয়।এই আইন কার্যকর হওয়ার পর এর কিছু প্রয়োগিক সমস্যার সৃষ্টি হওয়ায় এর কতিপয় ধারা সংশোধনের নিমিত্তে শিশু (সংশোধন) আইন,২০১৮ শীর্ষক বিলটি সংসদের বিবেচনার জন্য আনা হয়েছে।

বিলে বিদ্যমান আইনের ধারা ১৬ এর পরিবর্তে নতুন ১৬ ধারা প্রতিস্থাপনের বিধান করা হয়।এ ধারায় শিশু কর্তৃক সংঘটিত যেকোনো অপরাধের বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে শিশু আদালত নামে এক বা একাধিক আদালত স্থাপনের বিধান করা হয়।এ ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০ এর অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল স্বীয় অধিক্ষেত্রে শিশু আদালত হিসেবে গণ্য করার বিধান করা হয়।তবে কোনো জেলায় এ ধরনের ট্রাইব্যুনাল না থাকলে ওই জেলার জেলা ও দায়রা জজ আদালত স্বীয় অধিক্ষেত্রে শিশু আদালত হিসেবে গণ্য হবে।

বিলে ‘শিশু আদালতের ক্ষমতা’ শীর্ষক বিদ্যমান ১৮ ধারার পরিবর্তে নতুন ১৮ ধারা প্রতিস্থাপন করা হয়।নতুন ধারায় বলা হয়,দায়রা আদালত যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারে শিশু আদালতও সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যাবলী সম্পাদন করতে পারবে।এছাড়া,বিলে বিদ্যমান আইনের আরো বেশ কয়েকটি ধারা সংশোধন করা হয়।জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম,নূরুল ইসলাম ওমর,রুস্তম আলী ফরাজী,শামীম হায়দার পাটোয়ারী,লিয়াকত হোসেন খোকা,ডা.মো.আক্কাছ আলী সরকার,বেগম নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী,বেগম মাহজাবীন মোরশেদ,বেগম রওশন আরা মান্নান বিলের ওপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে তা কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

More News from বাংলাদেশ

More News

Developed by: TechLoge

x