বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করেনি তারেক রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী’র মিথ্যাচার

Posted on by

ইঞ্জিনিয়ার এম আর হাসান:: লন্ডনে বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মিথ্যাচার করেছে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি। তিনি বলেছেন , বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাসপোর্ট জমা দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বর্জন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান । শাহরিয়ার আলমের এই ধরনের মিথ্যাচারের কোন ভিত্তি নেই । বরং এই ধরনের মিথ্যাচারের মধ্য দিয়ে প্রমানিত হয়েছে দেশের নাগরিত্ব বাতিল নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কোন ধরনে সাধারন জ্ঞান নেই ।

বেশ কয়েক বছর আগে দেশ নায়ক জনাব তারেক রহমান তার পাসপোর্ট রিনিউ করা জন্য লন্ডনস্থ হাইকমিশনের কাছে জমা দেন । এরপর তার পাসপোর্ট বাংলাদেশ সরকার রিনিউ না করে আটকিয়ে রেখেছে । এখন পর্যন্ত তিনি তার পাসপোর্ট হাতে ফেরত পাননি । লন্ডন সহ ব্রিটেনের কয়েক লাখ প্রবাসী বাঙ্গালীরা বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে হাইকমিশন থেকে পাসপাের্ট রিনিউ করে নিয়ে আসতেছে । কিন্তু জনাব তারেক রহমান এখনো তার সবুজ পাসপোর্টের জন্য অধির আগ্রহে রয়েছেন ।

অথচ লন্ডনে অবৈধ প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই ধরনের মিথ্যাচার করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি । যদিও মিথ্যাচার করা আওয়ামীলীগের অলিখিত গঠনতন্ত্রের একটি অনুচ্ছেদ ।

এছাড়া বাংলাদেশে দ্য সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট এর অনুচ্ছেদ গুলো প্রতিমন্ত্রীর জানা থাকা উচিত । কেননা বাংলাদেশের নাগরিত্ব বাতিল করতে অথবা পাসপাের্ট হ্যান্ডওবার করতে হলে স্বশরীরে হাইকমিশনের উপস্থিত থাকতে হয় । এই ধরনের কোন প্রক্রিয়া লন্ডনস্থ হাইকমিশনে ঘটেনি । পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি (অবৈধ) কোথায় থেকে এই ধরনে ভুয়া তথ্য সংগ্রহ করলেন জাতি জানতে চায় ?
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমান দেশ ও জাতীয়তাবাদের প্রতীক। এই ধরনের মিথ্যা তথ্য গুলোতে কান না দিয়ে নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সব ধরণের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।

কেন দেশ নায়ক তারেক রহমান  পাসপোর্ট জমা দিবে ? এই ধরনে প্রশ্ন একমাত্র অবৈধ সরকারের মাথা ঘুরপাক খাচ্ছে । আওয়ামী লীগের নেতারা অপপ্রচার করে তারেক রহমানের কোনো ক্ষতি করতে পারবেন না। তারেক রহমান যখন দেশে যাবেন তখন জনগণের মধ্যে এমন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে অবৈধ সরকার বানে ভেসে যাবে।  সাম্প্রতিক সময়ে আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভবিষ্যত কান্ডারী হিসেবে এবং তাকে দলে সর্বোচ্চ পদে এগিয়ে নেয়ার ভাবনাকে দেশের ১৬ কোটি আমজনতা স্বাগত জানিয়েছে। সেই কারণেই তারেক জিয়া দল তথা জনগণের অর্পিত ও প্রত্যাশিত গুরু দায়িত্ব মাথায় নিয়ে মাতৃভূমির তরুণ ও তৃণমূল জনগোষ্ঠীকে রাজনীতি এবং অধিকার সচেতন করে তৃণমূল জনগণের ক্ষমতায়নের মধ্যে দিয়ে সৃজনশীল, সহনশীল ও রাজনৈতিক ঐক্যমতের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রনীতি পরিচালনার ভিত্তিতে দারিদ্রতা ও নিরক্ষরতা মুক্ত করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এক যুগান্তরকারী সাংগঠনিক কর্মসূচী নিয়ে ইতিপূর্বে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়িয়েছেন।  তাই তিনি আবারো সবুজ পাসপাের্ট নিয়ে বীরের বেশে দেশে ফিরবেন । যদিও  ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরেছিলেন শেখ মুজিব।

 

More News from কমিউনিটি

More News

Developed by: TechLoge

x