‘গত ৯ বছরে অদৃশ্য হওয়া মানুষের হিসাব নেই’

Posted on by

ইউএনএন বিডি নিউজঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, গত নয় বছরে সরকার উন্নয়নের নামে দেশে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে আর সত্যকথা বলার কারণে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া মানুষের কোনো হিসাব নেই।

আজ রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় মঈন খান এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মঈন খান বলেন, ‘যারা সত্য কথা বলবেন, যারা সঠিক কথা বলবে, তাদের ছেড়ে দেবে না। বিগত প্রায় ৯ বছরে আপনারা দেখেছেন, তাঁরা একের পর এক নির্যাতিত হয়েছে। জেল-জুলুম খেটেছে, শুধু তাই নয়, তাঁরা পৃথিবী থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে। গুম হয়ে গেছে। তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সরকার ভোট চাওয়ার নামে তামাশা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে সহায়ক সরকার গঠনের দাবিও জানান।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘মানুষ চায় তিনি পদত্যাগ করবেন। এবং নির্দলীয় একটি সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করবেন। আর আপনি কিসের ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন, আপনার ভোট চাওয়া তো মানুষের কাছে হাসির খোড়াক হচ্ছে। কারণ ভোট চাওয়া, নির্বাচন, এগুলো তো আপনি রাখতে চাননি। এটা তো আপনি ধ্বংস করে দিয়েছেন।’
আলোচনা সভায় বিএনপির এই দুই নেতা বলেন, বর্তমান সরকার আবার ক্ষমতায় এলে তাদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী  নিত্য-প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে যাবে। সরকার জনগণকে বন্দি করে জাতীয় সংসদ ও নির্বাচন কমিশন দখল করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

ক্ষমতায় থাকার জন্য সরকার যে কর্মকাণ্ড করছে তা নজিরবিহীন বলেও মন্তব্য করেন সভায় উপস্থিত বিএনপি নেতারা।

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি ন্যাশনালিস্ট এক্স স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মোহাম্মদ মোকাম্মেল কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল ও মজিবুর রহমান সরোয়ার, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজীব আহসানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

More News from বাংলাদেশ

More News

Developed by: TechLoge

x